১) সূর্য এবং পৃথিবী উভয়েই একই বিশ্ব প্রকৃতির শক্তিতে (Galaxy) সৃষ্ট, সূর্য থেকে পৃথিবীর সৃষ্টি মোটেই তা নয় ৷
২) সূর্যের প্রয়োজনে পৃথিবী, কিন্তু পৃথিবীর জন্য সূর্য – মোটেই তা নয় ৷ সূর্য এবং পৃথিবী উভয়ের সৃষ্টি করা হয়েছে জীবকুল প্রধানত মনুষ্যকুলের রক্ষণাবেক্ষনের জন্য ৷
৩) পৃথিবীর উপরিভাগে যে জ্বালানী আছে তা সুক্ষ অবস্থায় আছে, শক্তি আহরনের জন্য একে পৃথিবীর মতো কাজে লাগানো যাবে না ৷
৪) বিশ্ব প্রকৃতির শক্তিতে পৃথিবী যে গতি পেয়েছিল তাহার ফলেই পৃথিবীতে জল, মাটি ও বাতাসের মধ্য দিয়ে প্রাণের সৃষ্টি ৷
৫) সূর্যের আবহমণ্ডলের মধ্যে সৃষ্ট পৃথিবী ছাড়া অন্য কোনও গ্রহ বা উপগ্রহে এখানকার অনুরূপ প্রাণী নাই ৷
৬) পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ অহ-রহ টগবগ করিয়া ফুটিতেছে ওখান থেকেই বিভিন্ন খনিজ ও ধাতব পদার্থের সৃষ্টি ৷
৭) আমাদের মধ্যে বিভিন্ন ধর্মমত আছে, একে কখনো একটিমাত্র মতে আনা যাবে না যেহেতু পৃথিবীর আকার গোলাকাল চ্যাপ্টা নয় ৷
৮) পৃথিবীর দক্ষিণে চৌম্বকত্ব শক্তির পরিমাণ খুব বেশি সেই কারণে ঐ স্থান দিয়া কোন যান মহাকাশের বুকে সহজে পাঠানো যাইবে না ৷
৯) পৃথিবীর বুকে ভিন্ন ভিন্ন ভাষা সৃষ্টির মূলে প্রকৃতি ৷
১০) পৃথিবীর মাটিতে সবার আগে সরাসরি গাছের জন্ম হইয়াছে৷ পরে তাহা হইতে ফুল, ফল ও বীজের মধ্যে দিয়া আবার গাছের(চারা গাছের) জন্ম ৷ এই জিনিস ধারাবাহিকভাবে যুগ যুগ ধরিয়া ঘটিয়া চলিতেছে। সবার মূলে বিশ্ব সৃষ্টিশক্তি ৷
১১) চাঁদে যে জল আছে তা শক্ত শুকনো বরফের ন্যায় ৷ ঐ জল মানুষের জীবনধারণের কোন কাজে আসিবে না, তবে ঐ জলে এমন কিছু materials লুক্কায়িত রহিয়াছে, যাহার দ্বারা মানুষের অনেক দূরারগ্য ব্যাধি সারানো সম্ভব হইবে ৷
১২) সূর্যের নিজের কাছে আলো নাই পরিবর্তে আছে আলো জ্বালানোর কৌশল যেমন হারিকেন ৷
১৩) মানবশরীরের মাথার কাজ সমস্ত শরীর পরিচালনা করা যারে শক্তি যোগায় পেট, অনুরূপ সুসম্পর্ক যথাক্রমে সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে বিদ্যমান আছে৷