আমাদের সমগ্র মনুষ্যজাতির পরামর্শদাতা পরম পূজনীয় দর্শনযোগী ভীমানান্দ (শ্রী ভীমচন্দ্র গুড়ে) মহারাজের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

ঈশ্বর তত্ত্ব সম্পর্কীয় পরমসত্য

১) ঈশ্বরের সাকার রূপ ভগবান, একে জানার পথ বহু মতও অনেক, কিন্তু মূল ঈশ্বর নিরাকার এক এবং একে পাওয়ার পথও এক, এক ছাড়া দ্বিতীয় পথ নেই ৷ ভগবানের বাক্ আছে, কিন্তু ঈশ্বর নির্বাক্, বাক্ নেই ৷  

 

২) মূল ঈশ্বরকে পাওয়ার জন্য দেহ থেকে বাতাসকে নিঃশেষিত করতে হয় যা একমাত্র যৌগিক ক্রিয়া পদ্ধতি অবলম্বনেই সম্ভব ৷  

 

৩) সৃষ্টি রহস্য ভেদ করতে একজন সাধকের সিদ্ধিলাভ করার পর ২৭ বছর সময় লেগে থাকে ৷  

 

৪) আমাদের মা বোনেদের শারীরিক কাঠামো দুর্বল সেই কারণে যৌগিক ক্রিয়া সাধান পথে তাদের আসা উচিৎ নয় ৷

 

৫) আমাদের স্বচ্ছ সত্য ধারণা না হওয়ার মূলে পৃথিবীর জলীয় বাষ্পপূর্ণ বাতাস ও মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ৷

 

মেঘ যেমন বৃষ্টি হওয়ার পূর্ব লক্ষণ সুচিত করে থাকে তেমনি যিনি ঈশ্বর তত্ত্ব লাভে সামর্থ হবেন তারো মধ্যে প্রকৃতির দেওয়া কিছু কিছু লক্ষণ থাকে যার মধ্যে আজানুলম্বিত বাহু একটি ৷

 

পৃথিবী, সূর্য ও চন্দ্র সম্পর্কীয় পরমসত্য

১) সূর্য এবং পৃথিবী উভয়েই একই বিশ্ব প্রকৃতির শক্তিতে (Galaxy) সৃষ্ট, সূর্য থেকে পৃথিবীর সৃষ্টি মোটেই তা নয়  

 

২) সূর্যের প্রয়োজনে পৃথিবী, কিন্তু পৃথিবীর জন্য সূর্য – মোটেই তা নয়  সূর্য এবং পৃথিবী উভয়ের সৃষ্টি করা হয়েছে জীবকুল প্রধানত মনুষ্যকুলের রক্ষণাবেক্ষনের জন্য  

 

৩) পৃথিবীর উপরিভাগে যে জ্বালানী আছে তা সুক্ষ অবস্থায় আছে, শক্তি আহরনের জন্য একে পৃথিবীর মতো কাজে লাগানো যাবে না  

 

৪) বিশ্ব প্রকৃতির শক্তিতে পৃথিবী যে গতি পেয়েছিল তাহার ফলেই পৃথিবীতে জল, মাটি ও বাতাসের মধ্য দিয়ে প্রাণের সৃষ্টি ৷ 

 

৫) সূর্যের আবহমণ্ডলের মধ্যে সৃষ্ট পৃথিবী ছাড়া অন্য কোনও গ্রহ বা উপগ্রহে এখানকার অনুরূপ প্রাণী নাই ৷ 

 

৬) পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ অহ-রহ টগবগ করিয়া ফুটিতেছে ওখান থেকেই বিভিন্ন খনিজ ও ধাতব পদার্থের সৃষ্টি ৷ 

 

৭) আমাদের মধ্যে বিভিন্ন ধর্মমত আছে, একে কখনো একটিমাত্র মতে আনা যাবে না যেহেতু পৃথিবীর আকার গোলাকাল চ্যাপ্টা নয় ৷ 

 

৮) পৃথিবীর দক্ষিণে চৌম্বকত্ব শক্তির পরিমাণ খুব বেশি সেই কারণে ঐ স্থান দিয়া কোন যান মহাকাশের বুকে সহজে পাঠানো যাইবে না ৷ 

 

৯) পৃথিবীর বুকে ভিন্ন ভিন্ন ভাষা সৃষ্টির মূলে প্রকৃতি ৷ 

 

১০) পৃথিবীর মাটিতে সবার আগে সরাসরি গাছের জন্ম হইয়াছে৷ পরে তাহা হইতে ফুল, ফল ও বীজের মধ্যে দিয়া আবার গাছের(চারা গাছের) জন্ম ৷ এই জিনিস ধারাবাহিকভাবে যুগ যুগ ধরিয়া ঘটিয়া চলিতেছেসবার মূলে বিশ্ব সৃষ্টিশক্তি ৷ 

 

১১) চাঁদে যে জল আছে তা শক্ত শুকনো বরফের ন্যায় ৷ ঐ জল মানুষের জীবনধারণের কোন কাজে আসিবে না, তবে ঐ জলে এমন কিছু materials লুক্কায়িত রহিয়াছে, যাহার দ্বারা মানুষের অনেক  দূরারগ্য ব্যাধি সারানো সম্ভব হইবে ৷ 

 

১২) সূর্যের নিজের কাছে আলো নাই পরিবর্তে আছে আলো জ্বালানোর কৌশল যেমন হারিকেন ৷ 

 

১৩) মানবশরীরের মাথার কাজ সমস্ত শরীর পরিচালনা করা যারে শক্তি যোগায় পেট, অনুরূপ সুসম্পর্ক যথাক্রমে সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে বিদ্যমান আছে৷